১৮ মাসে এক ধাক্কায় ৫৫ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়ে ফেলেছিলেন বলি তারকা রাম কপূর। মেদ ঝরিয়ে চেহারা সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলেছিলেন ৫২ বছরের অভিনেতা। ১৪০ কেজি ওজন কমানো চাট্টিখানি কথা নয়। তবে তাঁর এই পরিবর্তনের পিছনে কোনও ওষুধের প্রভাব ছিল না। বরং যাপনে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। খাবারের ধরন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত শারীরচর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
সম্প্রতি ‘লকআপ সিজ়ন ২’ রিয়্যালিটি শো-তে গিয়ে তিনি জানালেন, তাঁর ডায়েট থেকে এখন ফলও বাদ। এমনকি রুটিও। তিনি কেবল প্রোটিন খান। আর কিচ্ছু না। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে রাম বলেন, ‘‘নিজেকে বদলে ফেলার জন্য যা যা খাবার বাদ দিয়েছি, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সেগুলি আর ছোঁবো না।’’ আগের মতো বার বার ডায়েট করে ওজন কমানোর বদলে এ বার রাম নিজের মানসিকতা ও অভ্যাস বদলেছেন। ৫০ পেরোনোর পর রামের মনে হয়, তাঁর পরিবার, সন্তানদের জন্যই তাঁকে সুস্থ থাকতে হবে।
রামের খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এখন দিনে মাত্র এক বার খাবার খান তিনি। আর তা-ও সম্পূর্ণ প্রোটিনে ভরা। কিন্তু তারকার এই খাদ্যাভ্যাস কি আদপে স্বাস্থ্যকর?
শরীরের অতিরিক্ত চর্বির সঙ্গে সঙ্গে পেশি কমে গেলে তা দীর্ঘ মেয়াদে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ওজন কমানোর সময় পর্যাপ্ত প্রোটিন খান অনেকে। কিন্তু তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ডায়েটারি ফাইবারও শরীরে পৌঁছোনো জরুরি। সুষম খাবারই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাম তা অনুসরণ করেন না। তাঁর থালায় প্রোটিন ছাড়া আর কিছুই থাকে না।
রাম ফল খান না, এ দিকে ফলে থাকে ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফলেট, পলিফেনল ইত্যাদি। রাম রুটি খান না, এ দিকে রুটির আটায় কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, বি ভিটামিন এবং খনিজ থাকে। এই সমস্ত পুষ্টিকর উপাদান অন্ত্র, হৃদ্যন্ত্র, বিপাকক্রিয়ার স্বাস্থ্যরক্ষা করার জন্য দরকারি। কিছু দিনের জন্য উচ্চমাত্রার প্রোটিনে ভরা ডায়েট কারও কারও জন্য উপযুক্ত হতে পারে। কিন্তু ওজন ঝরাতে গেলে অন্যান্য উপাদানও প্রয়োজন। যাঁরা শারীরচর্চা করেন, তাঁদের জন্য কার্বোহাইড্রেট খুব দরকারি কারণ, তা শরীরের শক্তি বাড়ায়।
তাই তারকাদের খাদ্যাভ্যাস হুবহু অনুকরণ করা উচিত নয়। তাঁরা নিজেদের পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলে ডায়েটের তালিকা তৈরি করান। কিন্তু প্রত্যেকের শরীরে একই রকম খাদ্যাভ্যাস উপযুক্ত নয়।
সম্প্রতি ‘লকআপ সিজ়ন ২’ রিয়্যালিটি শো-তে গিয়ে তিনি জানালেন, তাঁর ডায়েট থেকে এখন ফলও বাদ। এমনকি রুটিও। তিনি কেবল প্রোটিন খান। আর কিচ্ছু না। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে রাম বলেন, ‘‘নিজেকে বদলে ফেলার জন্য যা যা খাবার বাদ দিয়েছি, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সেগুলি আর ছোঁবো না।’’ আগের মতো বার বার ডায়েট করে ওজন কমানোর বদলে এ বার রাম নিজের মানসিকতা ও অভ্যাস বদলেছেন। ৫০ পেরোনোর পর রামের মনে হয়, তাঁর পরিবার, সন্তানদের জন্যই তাঁকে সুস্থ থাকতে হবে।
রামের খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এখন দিনে মাত্র এক বার খাবার খান তিনি। আর তা-ও সম্পূর্ণ প্রোটিনে ভরা। কিন্তু তারকার এই খাদ্যাভ্যাস কি আদপে স্বাস্থ্যকর?
শরীরের অতিরিক্ত চর্বির সঙ্গে সঙ্গে পেশি কমে গেলে তা দীর্ঘ মেয়াদে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ওজন কমানোর সময় পর্যাপ্ত প্রোটিন খান অনেকে। কিন্তু তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ডায়েটারি ফাইবারও শরীরে পৌঁছোনো জরুরি। সুষম খাবারই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাম তা অনুসরণ করেন না। তাঁর থালায় প্রোটিন ছাড়া আর কিছুই থাকে না।
রাম ফল খান না, এ দিকে ফলে থাকে ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফলেট, পলিফেনল ইত্যাদি। রাম রুটি খান না, এ দিকে রুটির আটায় কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, বি ভিটামিন এবং খনিজ থাকে। এই সমস্ত পুষ্টিকর উপাদান অন্ত্র, হৃদ্যন্ত্র, বিপাকক্রিয়ার স্বাস্থ্যরক্ষা করার জন্য দরকারি। কিছু দিনের জন্য উচ্চমাত্রার প্রোটিনে ভরা ডায়েট কারও কারও জন্য উপযুক্ত হতে পারে। কিন্তু ওজন ঝরাতে গেলে অন্যান্য উপাদানও প্রয়োজন। যাঁরা শারীরচর্চা করেন, তাঁদের জন্য কার্বোহাইড্রেট খুব দরকারি কারণ, তা শরীরের শক্তি বাড়ায়।
তাই তারকাদের খাদ্যাভ্যাস হুবহু অনুকরণ করা উচিত নয়। তাঁরা নিজেদের পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলে ডায়েটের তালিকা তৈরি করান। কিন্তু প্রত্যেকের শরীরে একই রকম খাদ্যাভ্যাস উপযুক্ত নয়।
ফারহানা জেরিন